আমানুল্লাহ আসিফ মীর, স্টাফ রিপোর্টার: শেরপুর ২ আসনে এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা নির্ধারিত সময়ের ৫ মিনিট পর মনোনয়ন পত্র জমা দিতে গেলে তা গ্রহণ করেননি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন। ২৯ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে না পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়েই কাঁদতে থাকেন তিনি। ঘটনার পরপরই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গনমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, ২৯ ডিসেম্বর সোমবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ছিল এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এদিন শেরপুর ২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল্লাহ বাদশা বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নালিতাবাড়ীর ইউএনও রেজওয়ানা আফরিনের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার অনুরোধ করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপস্থিত না হওয়ায় ইউএনও তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় আব্দুল্লাহ বাদশা ইউএনওকে দেরির কারণ ব্যাখ্যা করে মনোনয়নপত্র গ্রহণের অনুরোধ জানান। একপর্যায়ে ইউএনওর কক্ষেই তিনি কাঁদতে থাকেন।
আব্দুল্লাহ বাদশা বলেন, শেরপুর থেকে নালিতাবাড়ীতে আসার পথে গাড়ি সমস্যার কারণে তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছাতে পারেননি। দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার পর এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলে জানান তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত তার সমর্থকেরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন বলেন, নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই। নিয়মের বাইরে যাওয়ার কোনো অবকাশ না থাকায় মনোনয়ন গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।