স্টাফ রিপোর্টার: শতভাগ মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে শেরপুর জেলায় বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে ২৫ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেরপুর পুলিশ লাইন্স মাল্টিপারপাস শেডে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
শেরপুর জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার নিয়োগযোগ্য শূন্য পদ, বিদ্যমান কোটা ও নিয়োগ পদ্ধতি অনুসরণ করে ফেব্রুয়ারি-২০২৬ ব্যাচের টিআরসি নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেন শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার ও টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি এ কে এম জহিরুল ইসলাম।
চূড়ান্ত ফলাফলে ৩ জন নারী ও ২২ জন পুরুষসহ মোট ২৫ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়া অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে আরও ৫ জনকে।
ফলাফল ঘোষণার পর উত্তীর্ণ প্রার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনেকেই তাৎক্ষণিক অনুভূতি প্রকাশ করেন। পরে নির্বাচিতদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান পুলিশ সুপার।
এ সময় পুলিশ সুপার বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেশসেবার মানসিকতা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে দায়িত্ব পালন করতে হবে।অনুষ্ঠানে টিআরসি নিয়োগ বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোরশেদা খাতুন এবং নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম। এছাড়াও শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শেরপুর জেলায় ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে ২৫টি শূন্য পদের বিপরীতে প্রাথমিক স্ক্রিনিং শেষে ২ হাজার ১৯২ জন প্রার্থী শারীরিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তীতে ৩৯৩ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৮৫ জন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। সবশেষে চূড়ান্ত ভাইভা শেষে ২৫ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়।